ইংল্যান্ডের কাছে ৭-০ গোলে  হারে রেকর্ড গড়েছে ক্রোয়েশিয়া

Oct 4, 2026 - 15:42
Oct 4, 2026 - 15:42
 0  1
ইংল্যান্ডের কাছে ৭-০ গোলে  হারে রেকর্ড গড়েছে ক্রোয়েশিয়া
ইংল্যান্ডের কাছে ৭-০ গোলে স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের রেকর্ড গড়েছে ক্রোয়েশিয়া। ঘরের মাঠে এমন হারের পর হতাশা লুকাতে পারেননি দেশটির কিংবদন্তি লুকা মডরিচ। তার ভাষায়, জাতীয় দলের হয়ে দুই দশকের ক্যারিয়ারে এমন লজ্জার অনুভূতি এবারই প্রথম।
 
রিজেকায় উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচে শুরু থেকেই ক্রোয়েশিয়ার ওপর আধিপত্য বিস্তার করে ইংল্যান্ড। অষ্টম মিনিটে হ্যারি কেইন, ২১ মিনিটে জুড বেলিংহাম এবং ৩৯ মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে প্রথমার্ধেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় থ্রি লায়ন্সরা। বিরতির আগে বুকায়ো সাকার গোলে ব্যবধান আরও বাড়ে।
 
দ্বিতীয়ার্ধেও একই চিত্র। ৫৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন কেইন। ৬৮ মিনিটে আরেকটি গোল করে জোড়া পূর্ণ করেন সাকা। ম্যাচের শেষ দিকে মরগান রজার্সের গোলে ৭-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।
 
ম্যাচ শেষে মডরিচ বলেন, ‘জাতীয় দলের হয়ে ২০ বছর ধরে খেলছি। কিন্তু ম্যাচের পর এই প্রথমবার নিজেকে লজ্জিত মনে হলো।’
 
ইংল্যান্ডের বর্তমান দলকে নিজেদের চেয়ে ভালো বলেও মেনে নিয়েছেন ৪১ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। তবে এমন হারের কোনো অজুহাত দিতে চাননি তিনি। মডরিচ বলেন, ‘আপনি হারতে পারেন। আপনার চেয়ে ভালো দলের বিপক্ষে হারতেই পারেন। এই মুহূর্তে তারা আমাদের চেয়ে ভালো। কিন্তু যেভাবেই হোক, এভাবে হারা এবং বছরের পর বছর ধরে তৈরি করা সুনাম নষ্ট করা মেনে নেওয়া যায় না। আমি লজ্জিত।’
 
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই হার ক্রোয়েশিয়ার জন্য আরও বেদনাদায়ক। ২০১৮ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়েই ফাইনালে উঠেছিল তারা। সেই টুর্নামেন্টে মডরিচের নেতৃত্বে রানার্সআপ হয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। চার বছর পর কাতার বিশ্বকাপেও তৃতীয় হয় তারা।
 
এর আগে স্পেনের কাছেও ৪-১ গোলে হেরেছিল ক্রোয়েশিয়া। ফলে সর্বশেষ দুই ম্যাচেই ১১ গোল হজম করেছে তারা। দলের এমন পারফরম্যান্সের দায় নিজের কাঁধে নিয়েছেন কোচ স্লাভেন বিলিচ। মঙ্গলবার আবারও স্পেনের মুখোমুখি হবে ক্রোয়েশিয়া।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।